Showing posts with label প্রবন্ধ. Show all posts
Showing posts with label প্রবন্ধ. Show all posts

Friday, 28 February 2025

মানুষ কেন পড়ে?

একজন আলোকচিত্রীর কি  এবং কিভাবে পড়া উচিত?



মানুষ পড়ে পরিশীলিত হতে, আনন্দ পেতে, দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াতে, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং বাস্তবতা থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে।

Thursday, 23 January 2020

বাঙালির উত্তরাধিকারে বাঙালি নারি রবাহুত নয়।



ফেসবুকে জুলেখা সিরাপ পেজে সামনের একুশে বই মেলাতে প্রকাশিতব্য বিভিন্ন বইয়ের বিজ্ঞাপন আসে।রিভিউ তেমন চোখে পড়ে না।লেখকরাও পারস্পরিক রিভিউ এড়িয়ে চলেন, যার ফলে আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিক পিয়ার্স রিভিউ ধারাটি প্রায় উবে গেছে, যট্টুকু যা সমালোচনা তা হয় দলপাকানো নেটওয়ার্কিং এর বাহবাবাজি বা প্লাজিয়ারিজমের চোথা মারা ভুশিমাল।এসবের ভেতর নাসরিন জয়া হক জুলেখা সিরাপ পেজে তার কড়াপাকের ইংরেজি সমালোচনাসহ ধরিয়ে দিলেন সাদিয়া মাহজা্বীন ইমাম ও পুলক দেবনাথের যৌথ সম্পাদিত , চেতনার উত্তরাধিকার বইটির বিজ্ঞাপন।দ্বিতিয় শিরোনামে লেখা, ভাষা, দর্শন, সংস্কৃতি/কালোত্তীর্ণ পঁচিশটি প্রবন্ধ।নাসরিনের সমালোচনাটি সাদিয়ার বিজ্ঞপ্তি ঘিরে , সুতরাং সাদিয়া বিজ্ঞপ্তিতে কি লিখেছেন তা পড়া যাক :

Wednesday, 27 February 2019

পাঠদারিদ্র, ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক দর্পন।

প্রকাশক, জাগৃতি।২০১৯ একুশে বইমেলাতে প্রকাশ।প্রাপ্তিস্থান, জাগৃতি/দিপনপুর, এলিফ্যান্ট রোড
মঞ্চ, টেলি নাটকের শিল্পি ও কর্মিদের পাঠদারিদ্র দুক্ষজনক।অভিনয়ের ডাইমেনশান না বাড়ার কারন এ পাঠদারিদ্র।যট্টুকু পড়ে তাও হুমায়ুন আহমেদ ও প্রাথমিক সাউফাইতে সিমিত।অবস্য এরা বৃহত্তরো সমাজেরই অংশ, যার নিজের ডাইমেনশান ফ্ল্যাট, ফার্নিচার, জায়নামাজ, মিলাদ, মৌজ, মাস্তি, লে হালুয়া, ছ্যাবলামি, ইতরামি, রক্তবমি, কফ সিরাপে  সিমিত।সিমিত মানুষ সিমিত দর্পনই দেবে, দর্পন ভাংতে পারবে না।

Friday, 28 December 2018

নির্বাচনি নিউ ইয়ার্স ইভ ও ট্যাবুগুলো

''ঝুরঝুর ঘুঙ্গুর পতনের শব্দে
সিকি আধুলি খুচরার ব্যাক্তিগত বিজ্ঞাপন
নাগরিক নিওনে ঝলশানো নির্বাচনী দাবাগ্নি ছেড়ে
হাত পা মুখ থুবড়ে ঝাকঝাক ৃহহারাদের দিগ্বিদিক
মেশিনগানের ব্রাশফায়ার :  ৃহযুদ্ধের বিজন সঙ্কেত
হিরার ৌচাক থেকে মধুলোভি শত শত তীর
ভিতরকে টেনে হিচড়ে করেছে বাহির ''** 


এস, এম, সুলতানের একটা কিম্বদন্তিতুল্য তেলচিত্রের বিষয় হচ্ছে  মাথায় ফেট্টি বাধা, ল্যাংগট পরা পেষল পুরুষেরা সড়কি, লাঠি, বল্লম হাতে চর দখলের লড়াইতে মাতোয়ারা!ছবিটা দেখলে মনে হয় 
এক তান্ডবি  গিতিনাট্যের প্যাশনেট কোরিওগ্রাফি।

Friday, 28 September 2018

সৈয়দ শামসুল হক : যথার্থ ও অযথার্থতা

মার্জিনে মন্তব্য।ভুমিকা।সৈয়দ শামসুল হক।

গতকাল ২৭শে সেপ্টেম্বার ছিলো কিংবদন্তিতুল্য লেখক সৈয়দ শামসুল হকের (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) দ্বিতিয় মৃত্যুবার্ষিকি।সঙ্খেপে ওনাকে ডাকা হতো সৈয়দ হক।

Tuesday, 10 April 2018

পিলখানা হত্যাকান্ড থেকে ঢাবি উপাচার্য ভবন হামলা

এবং হালুয়া রুটি মামলাবাজির লুটেরা ব্যাবস্থাপনা।

আক্রান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ভবন, এপ্রিল, ২০১৮

অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরী সংসদে যথার্থভাবে ঢাবি উপাচার্য ভবনে মুখোশধারি হামলাকারিদের ইতর বলেছেন।মুখোশ না থাকলেও এটা ইতরতা।অগ্নিকন্যা যদি আক্রমনকারিদেরকে বলা ইতরতার  গভিরে যেতে চান, তাহলে দেখা যাবে রাস্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ এবং তাতে আসিন সামরিক, বেসামরিক সরকার এই ইতরতার  দায় এড়াতে পারে না।

Thursday, 8 February 2018

ভাষা : ইউজার ফ্রেন্ডলি বনাম হুমকি প্রেমিস

চিত্র, এমি জুড
জুলেখা সিরাপ এডমিন থেকে তৃণা রাব্বানি ভাষার মাসে ভাষা নবায়নি   শিরোনামে ৫টা লিঙ্ক দিয়েছেন।সেগুলো পড়ে শাহাব আহমেদ নিবিড় যে মন্তব্যগুলো করেছেন, তার সবগুলো আরো আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি করে।

Wednesday, 11 November 2015

ইয়োরোপ, মৃত্যুদন্ড এবং কল্যানবোধক বিচ্চার

বিওর্ক অভিনিত 'ড্যান্সার ইন দা ডার্ক'এর ট্রেইলার

লো হোসনে আরা লো...

আমি বাংলাদেশ ত্যাগের আগ দিয়ে, ১৯৮৯সালে ঢাকাতে শহিদ বুদ্ধিজিবি সাংবাদিক নিজামুদ্দিন আহমেদের কন্যা শারমিন রিমার হত্যাকান্ডে দোষি সাব্যাস্ত করে তার স্বামি মুনির হোসেন এবং মুনিরের প্রেমিকা হোসনে আরা খুকুকে নিম্ন আদালত মৃত্যুদন্ড দেয়।পরে উচ্চতর আদালতে আপিল করলে মুনিরের মৃত্যদন্ড বহাল থাকে, খুকু বেকসুর খালাস পান।সম্ভবত সামরিক সরকারের আংগুলি হেলনে ঐ হত্যা মামলা ঘিরে গনমাধ্যমগুলোতে বিবাহিতা খকুর চরিত্র হনন থেকে শুরু করে, আইনকে প্রভাবিত করবার এক কলঙ্কজনক ইয়েলো জার্নালিজমের প্রলয়কান্ড ঘটেছিল!বেশ কবছর আগে বিলাতে বসবাসকালে খুকুর সাজাপ্রাপ্তি এবং বেকসুর খালাস নিয়ে একটি উপকথা লিখি, 'লো হোসনে আরা লো, মুনির হোসেন হাতিয়ার ঢাল দো' নামে!সম্প্রতি উপকথাটি প্রকাশ করে নিউজবাংলাদেশ.কম।উপকথাটির পেছনে প্রবর্তনা হিশেবে কাজ করেছে 'মৃত্যুদন্ডরহিত' অঞ্চল EECতে বসবাস।সে আলোকেই বর্তমান নিবন্ধের অবতারনা!

Saturday, 20 June 2015

মুস্তফা আনোয়ারের যৌন-ক্ষুর

'বাংলা ভাষাপ্রমিতের নোম্যান্সল্যান্ড', ২০১৫ লেখাটি গ্রন্থবদ্ধ

প্রাগুক্ত:

অগ্রজ কবি মুস্তফা আনোয়ারের সাথে আশির দশকে বিভিন্ন সঙ্গে, অনুষঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা থাকলেও, বর্তমান আলোচনা তার 'ক্ষুর' গ্রন্থ নিয়ে আবু রুশদের ইংরেজি রিভিউ ঘিরে আবর্তিত !রিভিউটা বেরোয় প্রথম সংস্করণ(১৯৭৯, মার্চ) প্রকাশের মাস তিনেকের ভেতর!

Friday, 28 November 2014

বেশ্যাবৃত্তি প্রাচিনতম বৃত্তি, কারা রটালো?

টাইটেল ও নিচাংশের বানান হেরফেরের কারন,উদ্ধৃত নিচাংশ এসেছে ইতিমধ্যে প্রকাশিত আমারচিত 'বাংলা ক্রিয়াপদের বিবর্তন' শিরোনামে বিষদ এক প্রবন্ধ থেকে।মুদ্রিতভাবে পুরো প্রবন্ধটা পাওয়া যাবে প্রকাশিতব্য 'ভাষাপ্রমিতের সম্প্রদান  : ভাঙ্গা-লিরিক, ভাঙ্গা-বয়ান' ' নামক আমার প্রবন্ধ সংগ্রহে।চখাহা। 

''ক্রিয়াপদ: মাতৃতান্ত্রিকতা বনাম পিতৃতান্ত্রিকতাঃ
বেশ্যাবৃত্তি কি আদপেই সবচেয়ে প্রাচীন বৃত্তি?সবচেয়ে প্রাচীন বৃত্তিতো শিকারির বৃত্তি!দেখা যাবে যে মৃগয়ানির্ভর বা যাযাবর সমাজের কৃষিজীবী সমাজে বদলের সময় তার দৈব নিয়ন্ত্রকের লিঙ্গান্তর হয়েছে এবং প্রাক মাতৃতান্ত্রিক ঈশ্বরীর অবমূল্যায়ন হয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে পুরোপুরি মর্জাদালোপ হয়েছে।

ওহ রবঈন্দ্রনাথ

টাইটেল ও নিচাংশের বানান হেরফেরের কারন,উদ্ধৃত নিচাংশ এসেছে ইতিমধ্যে প্রকাশিত আমারচিত 'বাংলা ক্রিয়াপদের বিবর্তন' শিরোনামে বিষদ এক প্রবন্ধ থেকে।মুদ্রিতভাবে পুরো প্রবন্ধটা পাওয়া যাবে প্রকাশিতব্য 'ভাষাপ্রমিতের সম্প্রদান : ভাঙ্গা-লিরিক, ভাঙ্গা-বয়ান' নামক আমার প্রবন্ধ সংগ্রহে।চখাহা।
রামমোহন থেকে রবীন্দ্রনাথ:
রামমোহন নিয়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলোঃ ”রামমোহন রায় যখন গদ্য লিখতে বসেছিলেন তখন তাঁকে নিয়ম হেঁকে হেঁকে কোদাল হাতে,রাস্তা বানাতে হয়েছিল।ঈশ্বর গুপ্তের আমলে বঙ্কিমের কলমে যে গদ্য দেখা দিয়েছিল তাতে যতটা ছিল পিণ্ডতা,আকৃতি ততটা ছিল না।”…

বাঙ্গালি যৌনতার বেহাল এবং বাঙালি অপরাধমন্সকতা

টাইটেল ও নিচাংশের বানান হেরফেরের কারন,উদ্ধৃত নিচাংশ এসেছে ইতিমধ্যে প্রকাশিত আমারচিত 'বাংলা ক্রিয়াপদের বিবর্তন' শিরোনামে বিষদ এক প্রবন্ধ থেকে।মুদ্রিতভাবে পুরো প্রবন্ধটা পাওয়া যাবে প্রকাশিতব্য 'ভাষাপ্রমিতের সম্প্রদান : ভাঙ্গা-লিরিক, ভাঙ্গা-বয়ান' ...' নামক আমার প্রবন্ধ সংগ্রহে। চখাহা।

যৌনতাজ্ঞাপক ক্রিয়াপদের বেহাল:
বাংলা সিনেমায় চুমু,সঙ্গম দেখানো যাবে না!বহিরঙ্গে ইত্যাকার না-বাচকতার হিসাব করলেই অন্তরঙ্গে বিকৃতি এবং অবদমনের এক অসুস্থ চিত্র ফুটে উঠে!বাংলা রেনেসাঁ যে ভিক্টোরীয় মূল্যবোধে প্রভাবিত তার শেকড় যেমন কট্টর যৌন-প্রতিক্রিয়াশীল-অবদমনে আক্রান্ত, সেরকম বৈদিক যৌনতার নান্দনিক প্রকাশ যে বাৎস্যায়নের ‘কামসূত্র’ তাও নারীকে অধস্তন সেবিকার রতিভার দিয়েই দায় সেরেছে; মধ্যপ্রাচ্যের ‘আরব্য রজনী’ বহু রকম যৌন বিবরণে ভরপুর হয়েও শেষতক নারীকে হয় ভোগ, নয়তো দুর্ভোগের জন্য দায়ী করেছে!

জিমুতবাহন বনাম বল্লালি হিন্দুত্ব

টাইটেল ও নিচাংশের বানান হেরফেরের কারন,উদ্ধৃত নিচাংশ এসেছে ইতিমধ্যে প্রকাশিত আমারচিত 'বাংলা ক্রিয়াপদের বিবর্তন' শিরোনামে বিষদ এক প্রবন্ধ থেকে।দুক্ষপ্রকাশ, জিমুতবাহনের বংশধরদের কাছে, কারন ওনার নিজ লেখা নামের বানান দেখার সৌভাগ্য হয় নাই।প্রথম যেখানে প্রকাশ হয়, সেই আর্টস, ভিডি বাংলা একাডেমির বানান অনুসরন করে, যেমতি নিচাংশে কপি ও পেস্ট।মুদ্রিতভাবে পুরো প্রবন্ধটা পাওয়া যাবে প্রকাশিতব্য 'ভাষাপ্রমিতের সম্প্রদান : ভাঙ্গা-লিরিক, ভাঙ্গা-বয়ান'...' নামক আমার প্রবন্ধ সংগ্রহে। চখাহা।
   

পিতৃতান্ত্রিক ধমকের জের ধরে ক্রিয়া এবং ক্রিয়াপদের আবর্তনটা বাংলা থেকে জৈন-বৌদ্ধিক যাপনের অপসারণের আলোকে দেখা যাক।জৈন-বৌদ্ধ সমাজে জীব নির্বিশেষে সবার প্রাণের মর্যাদা এবং জীবিকা গ্রহণ, বর্জনের স্বাধীনতা সমান ছিল।সেন আমলে নবায়িত ব্রক্ষণ্য সমাজে মানুষ অর্জিত মৌলিক অধিকারগুলো হারালো।কৌলীন্য প্রথার অনুসারীদের কাছে তাতি, কামার, চামার,নাপিত, কুমোর, ঝাড়ুদার পেষার দরিদ্রদের উৎপন্ন সেবাসামগ্রী সবাই ভোগ করলেও, সামাজিক পর্যায়ে এদেরকে অভিব্যাক্তিশুন্য করে ফেলা হয়!

Tuesday, 10 September 2013

ডোরার কান্না, ক্ষেপি সংস্কৃতি ও কিম্ভুত রিপ্রেসেন্টেশানবাজেরা

আহমদ শরীফের সাথে মনোগত সংলাপ ২

প্রথম প্রকাশ ফেসবুকে নোট আকারে।২০/০৭/১১।

ডোরা মার
ক্ষেপি-সংস্কৃতিও লোক-সংস্কৃতি-সঞ্জাত পুরূষ প্রধান কৌমের প্রভাবেই বিবর্তিত!বৈষ্ণবের যেমন বৈষ্ণবি, লালন আখড়ার সাধুসঙ্গের এক প্রধান অনুষংগ 'ক্ষেপি'!লোক সংস্কৃতিকে কাল্ট পর্জায় থেকে জাতিয় পর্জায়ে নিয়ে আসা দক্ষিনপন্থি প্রতিক্রিয়াশিলতারই ফলবান লক্ষন!যে ফলটা এতে ফলে তা ইতিহাসের বিবর্তনে বিষবৃক্ষেরই ফসল!হিটলারের এভা ব্রাউন, মুসোলিনির ক্লারা পেতাচ্চি এক অর্থে ক্ষেপি!এদের প্রত্যাবর্তনের কোন উপায় এরা আর রাখেনা এবং কথিত সাধুদের গ্রাসে এদের সজ্ঞা পুরাপুরি লুপ্ত!পিকাসোর 'ডোরার কান্না' আক্ষরিকভাবেই এই ক্ষেপিদের আর্তনাদ!

Wednesday, 28 March 2012

নিল গদ্যঃ কেউ কেউ কবিতার সে-নিলে ঠিক ঠিকই পৌছায়

i am damn fattenningly mad with blue....পিকাসোর সেই নিল অধ্যায়!রুমি শামসের সেই নিলটুকু বুঝেছিলো!সিলভিয়া প্লাথ আর টেড হিউ একে অন্যের নিলটাকে বুঝেছিলো! সমস্ত নিলের উতসই উল্লাস!অর্গানিক উল্লাস!

Wednesday, 14 March 2012

এ,টি, এম-এর ছেলে ঘাতক কুশল, হাসান আজিজুলের ভাগ্নে আত্মঘাতি কুশল

বাংলাদেশের পুরান ঢাকায় কমেডিয়ান এ,টি, এম শামসুজ্জামানের ছোট ছেলে কুশল এই সপ্তাহে বড় ভাই কবিরকে ছুরি চালায়ে মেরে ফেলেছে!সুত্রাপুর থানাতে বৃদ্ধ এ,টি কুশলের নামে মামলা করেছে!পুলিশ কুষলকে অকুস্থলেই গ্রেপ্তার করেছে!ঢাকার আজিম্পুরে আমার এক বন্ধুর নাম ছিলো কুশল!কুশলের মা ছিলো ইডেনের অধ্যাপক।নামজাদা গল্পকার হাসান আজিজুল হক কুশলের আপন মামা!কুশলদের কলোনি বাড়িতে ওনাকে কত দেখেছি!পিউরিটান এবং মার্ক্সিস্ট হাসান আজিজুল হক!কুশলের ক্লিনিকাল ডিপ্রেশান ছিল!বড় ভাই কুমার ডাক্টারি পড়তো!

Sunday, 18 July 2010

বাংলা সনেটের নবায়ন প্রসঙ্গে




বিজন সঙ্কেত : 

সনেট বা চোদ্দপদী হচ্ছে বিভিন্ন ভাষায় পোয়েটিক-লাইসেন্স এবং পোয়েটিক-জাস্টিসের মিশেল গীতলতা। এ মিশেলে পৌছোতে নিবিড় প্রস্তুতি দরকার। 

'রেঙ্গুন সনেটগুচ্ছ' প্রকাশের পটভূমিতে, সনেট নিয়ে নিজস্ব ভাঙ্গাগড়ার খেলাটার প্রস্তুতি অন্যদের ধরিয়ে দেবার আগে, বাংলাভাষার বিবর্তনের আলোকে কবিতা প্রচলে সনেটের আভিধানিক অর্থ কোথায়, কিভাবে থমকেছে তা এ-ভাষার কয়েকজন মানি কবির সনেট থেকে বুঝবার চেষ্টা করেছি।

Friday, 11 June 2010

আনা কারেনিনা

রচনাটাতে ঈ, ঊ, ণ, চাদবিন্দু ও ছোট ত ব্যাবহার করা হয় নি!চখাহা।




কখনো আমাদের আত্মা ফুরিয়ে যায়, আমাদের দেহ ফুরানোর আগে! প্রাণস্পন্দন হয়ত দেহকে ব্যস্ত রাখে কবিতাবিহিন সামাজিকতায়!কথাসাহিত্যের বিশ্বগুরু রুশ উপন্যাসিক টলস্টয়ের অজরামর নায়িকা আনা কারেনিনা ছুটন্ত ট্রেনের তলায় ঝাপ মেরে আত্মহত্যা করেছিল।বাতসল্য ও প্রেমের দ্বন্দে যে দুর্বিসহ জিবনের ভার তার আত্মায় চেপে বসেছিল; সমস্ত বিত্ত, বৈভবের ভেতরে তা বহনের চেয়ে অবসানই জরুরি হয়ে উঠেছিল আনার কাছে!

কিন্তু ট্রেনের তলায় ঝাপিয়ে কেন? কেন হিরকচুর্ন নয়? সাপের বিষ নয়? সায়ানাইড নয়? বিষে, বিষে বিষক্ষয়ের মতই, আনা শেষ মুহুর্তে ঠিক করেছিল যে মহাযন্ত্রনাদায়ক মৃত্যুতেই জাগতিক যন্ত্রনার অবসান হওয়া উচিত!যন্ত্র-না!শিল্পবিপ্লবের সাথে অস্তাচলগামি একটা সমাজের প্রতিকি বিরোধ!

Wednesday, 21 April 2010

ভাষাচিন্তাঃ পোকায় কাটা কয়েকটা দাত ফেলে দিলেই দুখিনি বর্নমালার দাত ব্যাথা সেরে যাবেঃ

*সম্প্রতি অভ্র ইউনিকোড ফন্টের ডেভলাপার এবং চর্চাকারিদের  সাথে,  বিজয়-পন্য-সামগ্রির যে বিরোধ তাতে সঙ্গত কারনেই আমার অভ্র দলের দিকে পক্ষ্যপাত করা দরকার।আমি অভ্র ব্যবহার করি। আনফ্রেন্ডলি সফটওয়্যার হওয়াতে বিজয়, সোলায়মানি এসব কখনোই ব্যবহার করা হয়ে ওঠেনি।

সখ্যতার সহজিয়ায় অভ্র ইউনিকোড, বিজয়-পন্য-সামগ্রি থেকে অনেক এগিয়ে থাকলেও; ভাষার পেছনে ভাব প্রকাশ'কে অর্গলমুক্ত করবার এবং আবার ভাষাকেই শ্রেনি শাষনের মুল হাতিয়ারে পরিনত করবার যে-কায়েমি প্রয়াস  সেই দার্শনিক বিরোধে; অভ্র এবং বিজয়ের দ্বন্দকে আমার শুধু skill বা প্রায়োগিক মনে হয়েছে; মনে হয়েছে সামগ্রিকভাবে  যে-জিঞ্জিরা কালচার চলছে তারই বিস্তার; এর পেছনে সনাতনের অচলায়তন ভাংবার কোন ইশারা এখনো পাই নি!