Showing posts with label আবুল হাসান. Show all posts
Showing posts with label আবুল হাসান. Show all posts

Saturday, 5 April 2025

।।চারটি প্রেমের সনেট।।

শহীদ কাদরী, পিয়ারী বেগম, আবুল হাসান, সুরাইয়া খানমকে


১ শহীদ কাদরী :


কি করে য্যানো

শহীদ কাদরী বুঝতে পেরেছিলো,

আবুল হাসান এবং তার প্রেমিকা সুরাইয়াও,

পালিয়ে বেঁচেছিলো। কোথায় পালিয়েছিলো?

Wednesday, 9 September 2020

ডিমের তরকারি রান্নার সময় আমি গুপীগাইন বাঘাবাইন



ডিমের তরকারি রান্নার সময় আমি গুপীগাইন বাঘাবাইন
কি যে তুরিয়া আনন্দে থাকি আর সব মিছামিছি ফাকি
গদ্যছন্দ তখন মধ্যমিল অন্তমিলের ছেলেমানুষি
দুই বগলে দুই হাত রেখে আমি এত খুশি 
এন্থ্রো্পোমরফিয়া তখন তিব্রতুমুল জোয়ার ভাটার সহজিয়া

Thursday, 21 March 2019

বিছানাটা আসলে কার



আমাদের শোবার আগে
কোনো একটা দোকানে
দোকানে আসবার আগে
কাঠ হয়ে করাত রানদায় নিবেদন
তার আগে বিছানাটার গাছ পরিচয় উদ্বোধন

Wednesday, 23 July 2014

খুলিতত্ব ২ঃ সুরাইয়া খানম, আবুল হাসান দুইবার!

আবুল হাসান
নিবেদন ও নিরিক্ষার মেলবন্ধনে আমার  ৃতিয় কবিতা সংগ্রহ   'ৌল জুলেখার  :জেরা পর্বে '  'খুলিতত্ব'   সিরিজে  কবি আবুল  হাসানকে নিয়ে নিচের দুটি কবিতা ঠাই করে নিয়েছে!

Thursday, 25 September 2008

জয় সুরাইয়া জয় আমাদের চমচম মিয়া


পিলখানার বি,ডি,আর গেট থেকে
শহিদ মিনার অব্দি উনিশষো পছাত্তুরে
মহাবট অশথ্য রেন্ট্রির খোন্দল থেকে খোন্দলে
ডাক হরকরা মাটির পাতালে ছড়ি্যেছে
মাইলকে মাইল লম্বা আবুল হাসানের কবিতার রাত

সে-রাতের একপাশে অমাবশ্যা
অন্যপাশে পুর্নিমার চাদ
চাদের বুকের বোটায়
দুরকম বাংলাদেশকে চুমোচুমির হাহুতাশ শেষে
ঢাকার রাস্তাঘাটে বাজারে ক্যাম্পাসে পার্কে
আর পুলিশের চৌকিতে শাপলা শালুকের ডাটায়
বানভাশি ফনাগোটানো গোখ্রাদের লুকোনোর
আয়জোনে মুগ্ধ কবি আবুল হাসান দেখেছিল
রাতের বেলাকার আজিম্পুর কলনির পুকুরগুলোর বুকে
খোলা আর বন্ধ জ়ানালাগুলোয়
লাল নিল সবুজ় পাচমিষেলি ছায়াদের সাথে
পর্দাদের দ্বন্ধ

পর্দা ও ছায়াদের দোলাচলে
আবুল হাসান এখন লক্ষিন্দার
আর সুরাইয়া খানম হলো বেহুলা
এক লক্ষিন্দারকে লুকিয়ে আরেক আবুল হাসান
এক বেহুলাকে না জানিয়ে আরেক সুরাইয়া
গোলাপি কাকড়াদের উত্তেজনায় এফোড় ওফোড়
কামড়াকামড়ি জড়াজড়ি শেষে দুজনের ঘামে ঝলশায়
সাগরশেচা বালির মিহিদানা মুক্তার নেক্লেস
এ-দুজন এখন অবিনশ্বর
মুক্তি ও মুক্তার মালিক ও মাল্কিন


ধিন্তাধিনাত মহুয়ায় মাত বেহুলা চিতকার করেঃ
অই লক্ষিন্দার আমার মুক্তা ফিরায় দে
লখিন্দারে কয়ঃ অরে আমার মরা মুক্তার মা
গারমেন্টসে যা , কাম কৈরা খা

অই অই ঝগড়া কাজিয়া ভালা না
এ-বলে আবুল হাসান ও সুরাইয়া খানমকে
আমি লক্ষিন্দার ও বেহুলার স্বপ্ন সিথানে বসাই
অনুজ কবির বিনিত নিবেদনে
পোড়াবাড়ির চমচম শুধাই

চমচমগুলো এখন লোমশ কান্না হয়ে
কাচের শোকেসে বসে আছে
এবং বসে বসে আঠাআঠি ফাটাফাটি মজায় দেখছে
মিষ্টির কারিগরেরা হাটূর ওপর লুঙ্গি তুলে
রফিক জব্বার নুর হোসেন চলেসের
মৃত্যুর বার্তাবাহক পুরোনো খবরের কাগজ ঘষে ঘষে
শোকেসের কাচের ওপর থেকে
মিষ্টির আঠা পরিস্কার করছে

রাস্তার অন্যপারে জিঞ্জিরা হোটেলে
ডিম বাদাম দারুচিনি মেশানো
ভুতুড়ে চায়ের চুমুকে চুমুকে
আবুল হাসান সুরাইয়ার আচল সরানো বুকে
হঠাত থমকে গুলিয়ে ফেলেছে
কোনটা গনতন্ত্রের এন্টিকাটার
আর কোনটা বারবার বিক্রি হওয়া
আত্তার ধনুষ্টংকার

ঃ তোমার ডাকনাম কি
ঘুমজড়ানো সুরাইয়ার এ-প্রশ্নে
আবুল হাসান বলেছিল ঃ
ডাকনামগুলো জিবন ও যত্নের সিমান্ত
আমার ডাকনাম জ্যোতি
মেয়ে হলে ডেকো মৌলিক বোলে
ছেলে হোলে ডেকো দ্বৈত
আর ওদের বোলো
আমার আরেকটা ডাকনাম হোলো চমচম মিয়া

শোক ও শ্বৈরতন্ত্রের দেশে
ওরা যাতে সবসময় হাসে

জয় আবুল হাসান জয় চমচম মিয়া

জয় সুরাইয়া খানম জয় চমচম মিয়া


চয়ন খায়রুল হাবিব
লন্ডন অগাস্ট ২০০৭