ব্রাক্ষনডোরা গ্রাম থেকে ষোড়শী বিউটিকে লাখাইতে নানুর বাড়িতে রেখে আসবার সময় দিনমজুর সায়েদ আলী কিছুদূর যেতে যেতে কখনো নৌকায় অন্যদের ভিড়ে, কখনো হাঁটাপথে ঘাড়ে রাখা যে গামছায় কপালের, ঘাড়ের, আধপাকা খোচাখোচা দাড়িমোচসহ মুখের ঘাম মুছেছিল, সে ঘামের প্রত্যেক ফোটায় আমাদের ইতিহাসের ভিতরের ইতিহাসগুলো করচ ফুলের দেহলি ছুঁয়ে, বৈঠার ছলাত ছলাতে বিউটির তেজদিপ্ত চোখের মনিতে ঠিকরে ঠিকরে মিলায়েছিলো পানির অল্পতলের নরম মসলিনে ছড়ানো শিংড়াফলের গহিন বুননে, যে বুনন সেচে নীলাদ্রির হাসন রাজা হাস্যচ্ছলে লিখেছিল, এগো দেখোগো আসিয়া, কমলায় নিত্য করে ঠমকিয়া, ঠমকিয়া!
ত্রা লা লা লা...এখানে থমকে দাড়াবে রঙ্গিলা বাংলা...মুদ্রাফরাশ জোনাকদের দ্বন্দরন জল্লায় চয়ন সিথানে আমি মাইকেল বাজাই...নৈকট্যধামের টাইপো লজবাং বা লজিকাল বাংলাঃ ঈ, ঊ, ণ,চাদবিন্দুর বালাই নাই!মার্জনার তাই তাই তাই, উত্রাই'র ত্রালা লা লা লা...
Showing posts with label সায়েদ আলী. Show all posts
Showing posts with label সায়েদ আলী. Show all posts
Thursday, 23 January 2020
দিনমজুর সায়েদ আলী এবং বেগুনি কালেম
ব্রাক্ষনডোরা গ্রাম থেকে ষোড়শী বিউটিকে লাখাইতে নানুর বাড়িতে রেখে আসবার সময় দিনমজুর সায়েদ আলী কিছুদূর যেতে যেতে কখনো নৌকায় অন্যদের ভিড়ে, কখনো হাঁটাপথে ঘাড়ে রাখা যে গামছায় কপালের, ঘাড়ের, আধপাকা খোচাখোচা দাড়িমোচসহ মুখের ঘাম মুছেছিল, সে ঘামের প্রত্যেক ফোটায় আমাদের ইতিহাসের ভিতরের ইতিহাসগুলো করচ ফুলের দেহলি ছুঁয়ে, বৈঠার ছলাত ছলাতে বিউটির তেজদিপ্ত চোখের মনিতে ঠিকরে ঠিকরে মিলায়েছিলো পানির অল্পতলের নরম মসলিনে ছড়ানো শিংড়াফলের গহিন বুননে, যে বুনন সেচে নীলাদ্রির হাসন রাজা হাস্যচ্ছলে লিখেছিল, এগো দেখোগো আসিয়া, কমলায় নিত্য করে ঠমকিয়া, ঠমকিয়া!
Labels:
কবিতা,
কালেম পাখি,
গল্প,
চয়ন খায়রুল হাবিব,
বিউটি হত্যা,
সায়েদ আলী,
হাওর
Subscribe to:
Posts (Atom)
