Showing posts with label ভাষাচিন্তা. Show all posts
Showing posts with label ভাষাচিন্তা. Show all posts

Thursday, 24 September 2020

রাষ্ট্রধর্ম, রাষ্ট্রভাষা এবং ধর্মসাপেক্ষতা,

আহমদ শরীফের সাথে মনোগত সংলাপ ১

কিম্বা 'তিন পাগলের মেলা'!

নিচে যেভাবে রাষ্ট্রধর্ম, রাষ্ট্রভাষা এবং ধর্মসাপেক্ষতা, শিরোনামে প্রয়াত উপন্যসিক কামরুজ্জামান  জাহাঙ্গীর ও আমার টানা কথপোকথনটি এখানে ছেপেছি, প্রামান্যভাবে তা ধারণ ও প্রথম প্রকাশনার  কৃতিত্ব অনুজ গল্পকার তারিক  আল বান্নার।কয়েক বছর আগে নিউজ বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের সময় বান্না সংবাদ মাধ্যমটির সাহি্ত্য জাইনে বিচিত্র মাত্রা যোগ করতে সমর্থ হয়েছিল।সে সময় আমার পুরোনো,  নতুন, সাম্প্রতিক অনেক ছোটো বড় লেখা, আলাপচারিতা নিউজবাংলাদেশে আসে, যার ভেতর একটা  নিচের সম্পাদিত অংশটি।

Thursday, 8 February 2018

ভাষা : ইউজার ফ্রেন্ডলি বনাম হুমকি প্রেমিস

চিত্র, এমি জুড
জুলেখা সিরাপ এডমিন থেকে তৃণা রাব্বানি ভাষার মাসে ভাষা নবায়নি   শিরোনামে ৫টা লিঙ্ক দিয়েছেন।সেগুলো পড়ে শাহাব আহমেদ নিবিড় যে মন্তব্যগুলো করেছেন, তার সবগুলো আরো আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি করে।

Saturday, 6 January 2018

 
 ''লো ভাষা, পীড়িতে তোমা গড়িল যে আগে  
......চীন-নারী-সম পদ কেন লৌহ ফাঁসে ?''**

Tuesday, 21 February 2017

একুশের অর্ঘ্য : মূর্খের ঊকার নিয়ে শহীদুল্লাহ সন্নিধানে

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুর্তজা বশীর  
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুর্তজা বশীর


ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রথম ভারতিয় মুসলিম, যিনি ভারতের বাইরে এসে পি, এইচ, ডি করেছিলেন।

Thursday, 6 February 2014

ভাষাচিন্তাঃ ব্যাক্তিত্ব শব্দটা নিয়ে বিভ্রান্তি

ব্যাক্তিত্ব শব্দটা নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভোগার আগে বাংলা ভাষার প্রায়োগিক দিক থেকে ব্যাক্তিত্ব বলতে চাপাবাজ এবং সাদা মিথ্যায় ওস্তাদ বুঝতাম!তারপর লোকজন ক্রিড়াবিদ না বলে ক্রিড়া-ব্যাক্তিত্ব; শিক্ষাবিদ না বলে শিক্ষা-ব্যাক্তিত্ব; নাট্যকার বা অভিনেত্রি-অভিনেতা না বলে নাট্য-ব্যাক্তিত্ব বলা শুরু করলো !মিডিয়া এখানে আরেক কাঠি ওপরে, ওখানে সবাই হয় মিডিয়া-এক্টিভিস্ট নয় মিডিয়া-ব্যাক্তিত্ব এবং সেরের ওপর সোয়াসেরিদের ওখানে বলা হয় টক-শো-ব্যাক্তিত্ব!সে হিশাবে অবস্য ব্যাক্তিত্ব বলতে আমার আগের চাপাবাজ বুঝটা তেমন ভুল না!

Tuesday, 18 September 2012

হাচাসন্যাসির হাচাহাসি



হিসাব করে দেখলাম সবচেয়ে প্রাচিন বাংলা অক্ষরগুলার একটা হচ্ছে 'হ' আরেকটা 'ঠ'
কারন বাংলার সবচেয়ে প্রাচিন ধর্মাচারের নাম হঠযোগঃ
'হ' এবং 'ঠ' অক্ষর দুটাই ছিল আলাদা আলাদা পুরাপুরি শব্দঃ 'হ' হচ্ছে সুরুজ 'ঠ' তে চাদ
হঠযোগ হচ্ছে চাদ সুরুজের বেলাবেলি উপাচার

Friday, 2 March 2012

নেংটা মহাবিরের নন্দনেই আমার সন্তানের নৃ



১)আমার ষোড়ষি  কন্যা এলিস হাবিবের মা ব্রিটেনের ইউর্কশায়ারের!রোমানদের, ভাইকিংদের, ফরাসি নর্মান, জার্মানিক স্যাক্সন'দের হাতে পাইকারি গনহত্যা, শ্রমদাসত্ব, অপহরনে হাজার, হাজার বছরে এসব শায়ারবাসি ব্রিটনদের নামের সাথে, সাথে চেহারার নিশানাও বদলেছে!নিজেদের ইতিহাস এরা প্রথম শুনেছে রোমানদের কাছে; বর্নমালাও ধার করেছে সেই রোমানদের কাছ থেকেই!ব্রিটন, এংলো-স্যক্সন ইত্যকার পর্ব পার হয়ে বিভিন্ন রাজ্যের সমন্বয়ে হয়েছে যুক্ত্ররাজ্য; পরাক্রমের সময় পরাজিতদের নিজেদের আদলেই নাম দিয়েছে প্রিমিটিভ, ট্রাইব ইত্যাদি।আজকের ব্রিটেনে অপর কোন কৌমকে প্রিমিটিভ বলা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিশিধ্ব!

Sunday, 17 April 2011

রাস্ট্রধর্ম বাংলা চাইঃ রাস্ট্রধর্ম বাংলা চাই না বৈদিক বা মোস্লেম পবনের নৌকায়

আজিম্পুরের ভাষা শহিদ'দের কবর থেকে চল অনুযায়ি একুশে ফেব্রুয়ারিতে যে প্রভাত ফেরির যাত্রা শুরু হয় শহিদ মিনার অব্দি , জানামতে এ-বছরের একুশে ফেব্রুয়ারিতে তা না হয়ে পুরা উদজাপন কেন্দ্রিভুত থাকে শহিদ মিনার'কে ঘিরে!সরকার বা বিরোধি দল নেতৃত্ব পর্জায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আদৌ আজিম্পুর গোরস্থানে এসেছিল কি না তাও স্পস্ট না!খোজ নিয়ে জেনেছি যে আসেনি!

Monday, 21 February 2011

যে দ্রোহ প্রতিকে খলশায়ঃ ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১১

অক্টোবার থেকে ফেব্রুয়ারি ৫ মাস বাংলাদেশে দাপাদাপি করলাম।২০ বছরে এই প্রথম একনাগাড়ে এতদিন থাকলাম!এর ভেতর ২০০০ সালে এসেছিলাম কয়েক
সপ্তাহের জন্য; সেটা ছিল ভারতে ঘোরাঘোরির অবকাশে স্ত্রি প্যাট্রিসিয়ার সাথে মা, বাবা'র দেখা করায়ে দিতে!সেবার ছিলাম আমার  আশৈষব বেড়ে ওঠা আজিম্পুরের
বাসাতে!ইউরোপ ফিরে যাবার ৬ মাসের ভিতর বাবা হাবিবুল মারা গেলে মা'কে সংগ দিতে তড়িঘড়ি করে ছুটে এসেছিলাম আবার কয়েক সপ্তাহের জন্য!তারপর
মা জ্যোতির ক্যানসারের সংবাদে ঢাকাতে এসেছিলাম ২০০৩ এ!সে-বছর আমার ছেলে মাতিস-জ়্যোতি'র জন্ম হয় ফ্রান্সের ভ্যান শহরে!তারপর আবার ২০০৭এ,
মাত্র এক মাসের ছুটিতে!২০১০এর অক্টোবারে শুনালাম  মা-জ্যোতির চোয়ালের ক্যান্সার জটিলতায় গড়ায়েছে; থেরাপিতে আর কাজ হবেনা।এর ভিতর আমি
লন্ডনের কাজ, বসত গুটায়ে প্যাটি, মাতিসের কাছে ভ্যান শহরে চলে এসেছি!কাজ বলতে ফরাসি শেখা, ৪/৫ ঘন্টা অভ্র ফন্টে বাংলা গদ্য-পদ্য টাইপ করা এবং
ঘরকন্যা!দাদু-জ্যোতির সাথে এর ভেতর ফরাসি নাতি মাতিস-জ্যোতির কয়েকবার ফোনে আলাপ হয়েছে!দাদুর চোয়ালে ক্যানসারের কারনে কথা বেশিদুর এগোয়না!
মাতিসের প্রায়ই দাদুর জন্য মন খারাপ থাকে!ঠিক করলাম শেষ সম্বল কাচায়-কুচায়ে ৭ বছুরে মাতিস'কে সেই মাহিলাটাকে দেখায় আনি, যার পাশে শুয়ে শুয়ে
রবিন্দ্রনাথ, নজরুল, জসিমুদ্দিন শুনতে শুনতে আমার হৃতস্পন্দনে কবিতার বুনিয়াদ গড়ে উঠেছিল; আর জমজ বোন কঙ্কনের হাতে জেগে উঠেছিল এক অমোঘ শিল্পির
তুলি!

Saturday, 10 July 2010

চাদরাতে চন্দ্রভঞ্জন

আদি কৈলাশ
চাদ
রাতে চাদরাতে কাত্রাতে কাত্রাতে চন্দ্রের ভঞ্জন
কেহবা রঞ্জনে চিকন কেহবা বিমুর্তের নিরঞ্জন

ওম
সে এক পর্বত কাহনে যে চন্দ্রবিন্দুর দেবনাগরি আতুরঘর
শম্বরের ছাল গায়ে আকাশের  নাজানির কাছে বর চেয়ে
অনাদি জংলিংকং নাচায়েছিল  মুন্ডা যোগিন সাত

সমাসন্ধি সাবিত্রির
আকাল গায়ত্রি তাখতে এরকমটা খবর আসে
মানস সরোবর তিরে ঘাটি গাড়া ইরানি আরিয়ান খাস'দের শিবিরে

আর্জভট্ট
উপাধ্যায় মিত্র চেদি চাদ শিং রানারা রন হুঙ্কারে জাগতেই
পুরোহিত পন্ডিত ঠাকুরেরা কহেঃ রাজন্যরা ঘাবড়াও মাত
কোল ও মুন্ডাদের  নিকাশে হেসে হেসে
মন্ত্র গাহোঃ জংলিংকং'য়েই জগতের সকল প্রানের আদিবাস
চোখের বালিতে রাঙ্গানো বরফের কুচিতেই খেলাও প্রানাভার বালিহাস

Wednesday, 21 April 2010

ভাষাচিন্তাঃ পোকায় কাটা কয়েকটা দাত ফেলে দিলেই দুখিনি বর্নমালার দাত ব্যাথা সেরে যাবেঃ

*সম্প্রতি অভ্র ইউনিকোড ফন্টের ডেভলাপার এবং চর্চাকারিদের  সাথে,  বিজয়-পন্য-সামগ্রির যে বিরোধ তাতে সঙ্গত কারনেই আমার অভ্র দলের দিকে পক্ষ্যপাত করা দরকার।আমি অভ্র ব্যবহার করি। আনফ্রেন্ডলি সফটওয়্যার হওয়াতে বিজয়, সোলায়মানি এসব কখনোই ব্যবহার করা হয়ে ওঠেনি।

সখ্যতার সহজিয়ায় অভ্র ইউনিকোড, বিজয়-পন্য-সামগ্রি থেকে অনেক এগিয়ে থাকলেও; ভাষার পেছনে ভাব প্রকাশ'কে অর্গলমুক্ত করবার এবং আবার ভাষাকেই শ্রেনি শাষনের মুল হাতিয়ারে পরিনত করবার যে-কায়েমি প্রয়াস  সেই দার্শনিক বিরোধে; অভ্র এবং বিজয়ের দ্বন্দকে আমার শুধু skill বা প্রায়োগিক মনে হয়েছে; মনে হয়েছে সামগ্রিকভাবে  যে-জিঞ্জিরা কালচার চলছে তারই বিস্তার; এর পেছনে সনাতনের অচলায়তন ভাংবার কোন ইশারা এখনো পাই নি!

Wednesday, 17 February 2010

ফেব্রুয়ারির টেনশান ২/৩/৪/৫/৬ঃ ছন্দের ছিরি, বিচ্ছিরি

(২)

'বিজি আছিরে ভাই', এরকমটা শুনলে আমার বিচ্ছিরি লাগে।বুঝে যাই, এ্দের সাথে শ্রি, শ্রিমাভো নিয়ে তর্ক নিস্ফল।' ওরা ক্যাম্পাস হতে সদরঘাটে গেল', এরকমটা পড়লেও বিচ্ছিরি লাগে।বুঝি যে 'থেকে' আর 'হতে'র' বিড়ম্বনাতে ভোগা এই লোকের সাথেও আসর ঠিক জমবেনা! কেরদানির পাহাড়ের চাপে কেরদানিকারক যখন নিজেই ধরাশায়ি তখন তাকে দেখি কেরদানির ক্যনভাসে এই বেলা ডিলিট করছে  ঠিকুজি, কুলুজি; ঐ বেলা ঘোষনা করছে ধর্শনকারিরাই আমাদের  দাদু আর বড়আব্বা!

অনেক ভাই'য়ের সংসারে লুকিয়ে, লুকিয়ে পেটিকোট, ব্রেসিয়ার শুকাতে, শুকাতে বেড়ে ওঠা লিংগ-লুকানো মেয়েটিকে দেখি এক কুহেলিকাময়-সান্ধ্য-সাংকেতিক ভাষাতে; ব্রাভো, ব্রাভো, চালারে কাদিরা'র সোরগোলে বিশাদ সিন্ধুর কসাইদের বাহবা দিচ্ছে   সংসপ্তকের কির্তনিয়া বলে!

ফেব্রুয়ারির টেনশান ১ঃ মহাভাঙ্গনের উপকথা

গান্ধি থেকে গের্নিকায়ঃ


গান্ধি ছবিটা'র সেই দৃশ্যটা আমার খুব মনে আছেঃ

ভারত'কে দু'ভাগ করে দুটো পাকিস্তানসহ দুটো স্বাধিন দেশ ঘোষনা করা হয়েছে।উদযাপনের পাশাপাশি রক্ত হিম করা হিন্দু মুসলিম রায়ট।মায়ের বুক থেকে কোলের শিশু ছিনিয়ে তাকে আছড়ে মারছে মায়ের'ই সামনে দু'পখ্যের খুনে'রা; বি,  জ়ে পি আর জামাতের কিশোরেরা পুজ-রক্তের নিশানে ঝালিয়ে নিচ্ছে 'বন্দেমাতরম', 'বাচলে গাজি মরলে শহিদ'  স্লোগানগুলো। দু' দেশেই পুলিশ তার নব্য রিক্রুটদের জিবন্ত টার্গেটে চাদমারির অনুশিলন করিয়ে নিচ্ছে।