লাঠি, গুলি, টিয়ারগ্যাস, উচ্ছেদ, গুমের আদেশগুলো দেয়া হয় বাংলা ভাষাতে; ইংরেজি, উর্দু, হিন্দিতে নয়!সামাজিক নেটওয়ার্কে আহাজারিও করা হয় বাংলা ভাষাতে!
ত্রা লা লা লা...এখানে থমকে দাড়াবে রঙ্গিলা বাংলা...মুদ্রাফরাশ জোনাকদের দ্বন্দরন জল্লায় চয়ন সিথানে আমি মাইকেল বাজাই...নৈকট্যধামের টাইপো লজবাং বা লজিকাল বাংলাঃ ঈ, ঊ, ণ,চাদবিন্দুর বালাই নাই!মার্জনার তাই তাই তাই, উত্রাই'র ত্রালা লা লা লা...
Wednesday, 30 November 2016
Tuesday, 25 October 2016
টুটুলের 'পেন' পুরস্কারে বিলাতি বংগসমাজ নিরব!
‘শুদ্ধস্বর' প্রকাশনির আহমেদুর রশীদ টুটুলের পেন পুরস্কার প্রাপ্তি সংবাদের প্রাক কথনে ফেসবুক 'জুলেখা সিরাপ' পেইজে সদস্য কুদরত এলাহি লিখেছেন,
''বাংলাদেশের যে ব্যাক্তি সম্প্রতি সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেল,তাকে নিয়ে আমরা কতটুকু আলোচনা করেছি? কেন করতে চাই নাই? নিরাপত্তা না দেবার লজ্জা থেকে? এ পুরস্কারটি বাংলাদেশের জন্য তিরস্কারও বটে!টুটুলকে শুভেচ্ছা!''
Tuesday, 11 October 2016
Friday, 16 September 2016
Tuesday, 2 August 2016
Saturday, 23 July 2016
এরদোগানের ছোট-নুনু-সমাচার!
তুর্কি হুজ্জতির ধুন্দুমারে অনেকে হয়ত ভুলে গেছে, কিছুদিন আগে মার্চের শেষদিকে জার্মানির প্রখ্যাত কৌতুকাভিনেতা ইয়ান বোহমারমান তুর্কি রাস্ট্রপতি এরদোগানকে নিয়ে প্রচন্ড বিদ্রুপাত্মক ভাষাতে এক স্যাটায়ার গান হিশেবে প্রচার করেছিল জার্মান টেলিভিশানে, যার মুল প্রতিপাদ্য হচ্ছে,'নুনুর সাইজ ছোট হওয়াতে এরদোগান এতসব জঘন্য দমন, পিড়ন, ধড়পাকড় চালাচ্ছে।' সবাই ভুলে গেলেও এরদোগান ও তার অ্তি-উতসাহি সহচরেরা ভুলে নাই; তারা জার্মান সরকারের কাছে বোহমারমানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে। স্যাটায়ারটার ইংরেজি, বাংলা তর্জমা দেখা যাক; আরো দেখা যাক এ-ব্যাপারে জার্মান সরকারের প্রতিক্রিয়া!'বাক-স্বাধিনতা' ও 'শিল্পের স্বাধিনতার' আপেক্ষিকতার পটভুমিতেও এই স্যাটায়ার আলোচনা জরুরি!
Labels:
তুরস্ক,
বাক-স্বাধিনতা,
বিশ্ব সাহিত্য,
মানবাধিকার,
সেন্সর,
স্যাটায়ার
Wednesday, 6 July 2016
সিরিয়ান কবি এডোনিসের সাম্প্রতিক সাক্ষাতকার
Monday, 4 July 2016
Wednesday, 11 November 2015
ইয়োরোপ, মৃত্যুদন্ড এবং কল্যানবোধক বিচ্চার
বিওর্ক অভিনিত 'ড্যান্সার ইন দা ডার্ক'এর ট্রেইলার
লো হোসনে আরা লো...
আমি বাংলাদেশ ত্যাগের আগ দিয়ে, ১৯৮৯সালে ঢাকাতে শহিদ বুদ্ধিজিবি সাংবাদিক নিজামুদ্দিন আহমেদের কন্যা শারমিন রিমার হত্যাকান্ডে দোষি সাব্যাস্ত করে তার স্বামি মুনির হোসেন এবং মুনিরের প্রেমিকা হোসনে আরা খুকুকে নিম্ন আদালত মৃত্যুদন্ড দেয়।পরে উচ্চতর আদালতে আপিল করলে মুনিরের মৃত্যদন্ড বহাল থাকে, খুকু বেকসুর খালাস পান।সম্ভবত সামরিক সরকারের আংগুলি হেলনে ঐ হত্যা মামলা ঘিরে গনমাধ্যমগুলোতে বিবাহিতা খকুর চরিত্র হনন থেকে শুরু করে, আইনকে প্রভাবিত করবার এক কলঙ্কজনক ইয়েলো জার্নালিজমের প্রলয়কান্ড ঘটেছিল!বেশ কবছর আগে বিলাতে বসবাসকালে খুকুর সাজাপ্রাপ্তি এবং বেকসুর খালাস নিয়ে একটি উপকথা লিখি, 'লো হোসনে আরা লো, মুনির হোসেন হাতিয়ার ঢাল দো' নামে!সম্প্রতি উপকথাটি প্রকাশ করে নিউজবাংলাদেশ.কম।উপকথাটির পেছনে প্রবর্তনা হিশেবে কাজ করেছে 'মৃত্যুদন্ডরহিত' অঞ্চল EECতে বসবাস।সে আলোকেই বর্তমান নিবন্ধের অবতারনা!
Labels:
ইয়োরোপ,
প্রবন্ধ,
মৃত্যুদন্ড
Subscribe to:
Posts (Atom)







