Friday, 11 June 2010

আনা কারেনিনা

রচনাটাতে ঈ, ঊ, ণ, চাদবিন্দু ও ছোট ত ব্যাবহার করা হয় নি!চখাহা।




কখনো আমাদের আত্মা ফুরিয়ে যায়, আমাদের দেহ ফুরানোর আগে! প্রাণস্পন্দন হয়ত দেহকে ব্যস্ত রাখে কবিতাবিহিন সামাজিকতায়!কথাসাহিত্যের বিশ্বগুরু রুশ উপন্যাসিক টলস্টয়ের অজরামর নায়িকা আনা কারেনিনা ছুটন্ত ট্রেনের তলায় ঝাপ মেরে আত্মহত্যা করেছিল।বাতসল্য ও প্রেমের দ্বন্দে যে দুর্বিসহ জিবনের ভার তার আত্মায় চেপে বসেছিল; সমস্ত বিত্ত, বৈভবের ভেতরে তা বহনের চেয়ে অবসানই জরুরি হয়ে উঠেছিল আনার কাছে!

কিন্তু ট্রেনের তলায় ঝাপিয়ে কেন? কেন হিরকচুর্ন নয়? সাপের বিষ নয়? সায়ানাইড নয়? বিষে, বিষে বিষক্ষয়ের মতই, আনা শেষ মুহুর্তে ঠিক করেছিল যে মহাযন্ত্রনাদায়ক মৃত্যুতেই জাগতিক যন্ত্রনার অবসান হওয়া উচিত!যন্ত্র-না!শিল্পবিপ্লবের সাথে অস্তাচলগামি একটা সমাজের প্রতিকি বিরোধ!

Friday, 21 May 2010

স্বার্থপরদের গ্রামে নয়া অতিথি

হাজার বছরের ঘুম ভাংগায়ে সুন্দর'কে জাগানো মাত্র সুন্দরের সাথে সংগম করলো রাজকুমার!তারপর কোন পোশাক পরতে না দিয়ে, পুরো নগ্ন অবস্থাতে সুন্দরকে নিজের রাজ্যে নিয়ে এলো ঐ রাজকুমার!রাজ্যের শাষক হচ্ছে তার মা, রানি!

Wednesday, 19 May 2010

নৈকট্যধাম সিরিজ



ব্রক্ষপুত্র

ময়মনসিং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চিরে বয়ে যাওয়া
ব্রক্ষপুত্র নদ কতকাল যে পোকি’র জন্য অপেক্ষমান ছিল
কে জানে।নৌকার মাঝি বলেছিলঃ
এই নদ নারি পেলে খুশি
সঠিক নারির অভাবে বানজলে আমাদের ভাষায়।

আপনার কথার নিহিত অর্থ কি?
আপনি কি কুমারি বলির দিকে ইঙ্গিত করছেন?
পোকি মাঝিকে এ-প্রশ্ন সুধাতে, মাঝি বলেঃ
না না ছি ছি এটা কি বলেন।আমি বলছিলাম,
এই যে সোহাগ, মহব্বত আপনেরা একে অপরকে দিচ্ছেন
তাতে এই নদ খুশি মহাখুশি

Wednesday, 12 May 2010

এটিচ্যুড ব্র্যান্ডিং..শামসুর, গুণ, মোমতাজ ও অধ্যাপক ইউনুস

নামের বানান ছাড়া ঈ, ঊ, ণ, চাদবিন্দু ব্যাবহার করা হয় নাই।চখাহা।

স্মৃতিপাঠ ১

মনে হয় সেটাই ছিল বাংলা একাডেমিতে স্বাধিনতার পর প্রথম বই মেলা!খুব সম্ভবত বোনদের হাত ধরে সেখানে গিয়েছিলাম!অনেকেই চাদর বিছিয়ে নিজেদের বই বিক্রি করছিল!তাদের ভেতর ছিল চোয়াল গর্তে ঢোকা, পিঠে পেট ঠেকা, ইয়া লম্বা নির্মলেন্দু গুণ!ওর প্রকাশক ছিল খান ব্রাদার্স!এখনো নির্গুনকে লোকে এদেশে, ওদেশে বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছে!খান ব্রাদার্সও নিশ্চিত কলেবরে অনেক বেড়েছে!কিন্তু সত্তরের তরুন কবিদের যেভাবে বরন করেছিল, শুধু খান ব্রাদার্স কেন অন্য কোন প্রকাশনিই তরুন কবিতার প্রতি আর তেমন মমতা দেখায় নি!নির্গুণ নিজেই একটা ব্র্যান্ড, হাটাবাবা ব্র্যান্ড!ওর সেই বাংলা একাডেমির মাঠে ছড়ানো চাদরেই চাদোয়া বানিয়েছে লিভার ব্রাদার্স, মেরিলসহ আরো গ্রুপেরা!কিন্তু চাদোয়াটা আসলে আরো বড়!কল্পনাতে যার শেষ, রুপকথাতেই পরিচয়!

Thursday, 6 May 2010

বাতেনি বিলাই...হানিফ পাঠান'কে

বেলাবোকে বিলাও বিলাও বেলাবোকে মিলাও মিলাও
টেরাকোটার হান্ডি পাতিলে ভাগ্যরেখা নাচাও নাচাও

ঢাকার শহর থেকে অল্প একটু দুরে
ওয়ারি বটেশ্বয়ারে
প্রত্নসংগ্রাহক আব্দুল বাতেন
সংবতসর শুকনার শুক্কুরবার
এবং শিতের কালে প্রত্যকটা দিনে
উঠানের কামরাঙ্গা গাছের তলে বাধানো পাকা মঞ্চে
বিশেষ সংগ্রহের এক ইস্ফাহানি জায়নামাজে
পোষা বিলাইটাকে এনে বসান কখনো রাজকুমার
কখনো বা রাজকুমারির সাজে

Friday, 30 April 2010

ওফেলিয়া


ইউক্যালিপ্টাস ফুলেরা ইউক্যালিপ্টাস গাছতলে

উইঢিবিগুলাকে ফিশফিশাতে শুনে
অপেক্ষা করতে থাকলো
কয়েকশ বছরের গুর্দাফরাসে রসালো
ভাইকিং দরবারের মুর্দাফরাসি বাস্তবতায়

Wednesday, 28 April 2010

ছৌ



কল্পনাকে য্যানো না শোনা যায়
মানে ঝনঝন বন্ধ
শিকলে গাথা শিক কাবাবের উছিলা
পোড়া পোড়া গন্ধ

কল্পনাকে য্যানো না দেখা যায়
মানে খাচার দুয়ারও বন্ধ
কিন্তু মুনিয়ারা নাই ভিতরে
যাদুকরদের চোখ সব অন্ধ

Wednesday, 21 April 2010

ভাষাচিন্তাঃ পোকায় কাটা কয়েকটা দাত ফেলে দিলেই দুখিনি বর্নমালার দাত ব্যাথা সেরে যাবেঃ

*সম্প্রতি অভ্র ইউনিকোড ফন্টের ডেভলাপার এবং চর্চাকারিদের  সাথে,  বিজয়-পন্য-সামগ্রির যে বিরোধ তাতে সঙ্গত কারনেই আমার অভ্র দলের দিকে পক্ষ্যপাত করা দরকার।আমি অভ্র ব্যবহার করি। আনফ্রেন্ডলি সফটওয়্যার হওয়াতে বিজয়, সোলায়মানি এসব কখনোই ব্যবহার করা হয়ে ওঠেনি।

সখ্যতার সহজিয়ায় অভ্র ইউনিকোড, বিজয়-পন্য-সামগ্রি থেকে অনেক এগিয়ে থাকলেও; ভাষার পেছনে ভাব প্রকাশ'কে অর্গলমুক্ত করবার এবং আবার ভাষাকেই শ্রেনি শাষনের মুল হাতিয়ারে পরিনত করবার যে-কায়েমি প্রয়াস  সেই দার্শনিক বিরোধে; অভ্র এবং বিজয়ের দ্বন্দকে আমার শুধু skill বা প্রায়োগিক মনে হয়েছে; মনে হয়েছে সামগ্রিকভাবে  যে-জিঞ্জিরা কালচার চলছে তারই বিস্তার; এর পেছনে সনাতনের অচলায়তন ভাংবার কোন ইশারা এখনো পাই নি!

বোবাদন্ডঃ পাতাবাহার বিষয়ে অতিসঙ্খেপিত কবিতানাটক

'এই মাতোয়ালা রাইতের' লেখক সেই কবি শামসুর রাহমান'কে, যিনি পাতাবাহারদের নিয়ে ভাবিত হয়েছিলেন।আর শৈষব, কৈশোর, যৌবনের বন্ধু নরমাংসখোর বলে খ্যাত পাতাবাহার কুলোদ্ভব খলিলুল্লাহকে।


শব্রাইতের রাইতে
গোরস্থানের গেটের বগলে বসা নিয়া
পাতাবাহারেরা পাতাবাহারদের সাথে
ফাটাফাটি কাইজা লাগাইসে
পুলিশেরা পাতাবাহারদের খেদায়া দিতাসে
আমলকি চিবাইতে চিবাইতে
টেলিবিশনের লোকেরা পাতাবাহারদের সাথে
পুলিশের লাঠালাঠির ফিলিম তুলতাসে

Sunday, 18 April 2010

কবিতাঃ মিউটিনিঃ

উল্টায়ে দেখো উল্টায়ে পাল্টায়ে দেখো
দেখো পাথরে চাপা দাগি পুর্নিমার মাঘি কুয়াশায়
নয় মাথাওয়ালা আজব আজব অক্টোপাসগুলো
কেমন তাজব তাজব গড়া্তে গড়াতে