টাইটেল ও নিচাংশের বানান হেরফেরের কারন,উদ্ধৃত নিচাংশ এসেছে ইতিমধ্যে প্রকাশিত আমারচিত 'বাংলা ক্রিয়াপদের বিবর্তন' শিরোনামে বিষদ এক প্রবন্ধ থেকে।দুক্ষপ্রকাশ, জিমুতবাহনের বংশধরদের কাছে, কারন ওনার নিজ লেখা নামের বানান দেখার সৌভাগ্য হয় নাই।প্রথম যেখানে প্রকাশ হয়, সেই আর্টস, ভিডি বাংলা একাডেমির বানান অনুসরন করে, যেমতি নিচাংশে কপি ও পেস্ট।মুদ্রিতভাবে পুরো প্রবন্ধটা পাওয়া যাবে প্রকাশিতব্য 'ভাষাপ্রমিতের সম্প্রদান : ভাঙ্গা-লিরিক, ভাঙ্গা-বয়ান'...' নামক আমার প্রবন্ধ সংগ্রহে। চখাহা।
পিতৃতান্ত্রিক ধমকের জের ধরে ক্রিয়া এবং ক্রিয়াপদের আবর্তনটা বাংলা থেকে জৈন-বৌদ্ধিক যাপনের অপসারণের আলোকে দেখা যাক।জৈন-বৌদ্ধ সমাজে জীব নির্বিশেষে সবার প্রাণের মর্যাদা এবং জীবিকা গ্রহণ, বর্জনের স্বাধীনতা সমান ছিল।সেন আমলে নবায়িত ব্রক্ষণ্য সমাজে মানুষ অর্জিত মৌলিক অধিকারগুলো হারালো।কৌলীন্য প্রথার অনুসারীদের কাছে তাতি, কামার, চামার,নাপিত, কুমোর, ঝাড়ুদার পেষার দরিদ্রদের উৎপন্ন সেবাসামগ্রী সবাই ভোগ করলেও, সামাজিক পর্যায়ে এদেরকে অভিব্যাক্তিশুন্য করে ফেলা হয়!


.jpeg)
